রমজানের পরে প্রথমেই হঠাৎ করে বেশি বেশি খাবার খাওয়া ঠিক নয়। ধীরে ধীরে খাবারের পরিমাণ বাড়ানো ভালো। ঈদে মিষ্টি, কেক, বাদাম, চর্বিযুক্ত খাদ্য খেতে হবে কম পরিমাণে। সেই সঙ্গে অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ ও মসলাযুক্ত খাদ্য গ্রহণ থেকেও যতটা সম্ভব বিরত থাকতে হবে।
ঈদের দিনগুলোতে যে হরেক রকমের মজার মজার খাবার রান্না হবে তা যে একে বারেই খাওয়া যাবে না তা নয়। তবে যে কোনো খাবারই খেতে হবে পরিমিত, ক্যালোরি মেপে এবং ব্যক্তির শারীরিক চাহিদা অনুযায়ী
একটু স্বাস্থ্য সচেতনতা আমাদের ঈদ পরবর্তী বিভিন্ন ঝুঁকি থেকে বাঁচিয়ে রাখতে সাহায্য করবে । রমজান পরবর্তী স্বাস্থ্য সমস্যা এড়াতে রইল কিছু পরামর্শ।
- কখনোই খুব বেশি ক্ষুধার্ত অবস্থায় থাকবেন না। বেশি ক্ষুধার্ত অবস্থায় খেলে বেশি খাওয়া হবে। খাবার গ্রহণের বেলায় বরাবরের মতোই বেশি পরিমাণে মসলাদার বা শাহী খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
- মিষ্টি জাতীয় খাবার, তেলে ভাজা ও বেশি মসলা দিয়ে রান্না করা খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন। কেননা এসব খাবারের ফলে বদহজম তো হবেই, সেই সঙ্গে ওজনও বেড়ে যেতে পারে। এ ছাড়া এগুলো ডায়াবেটিস রোগীদের ব্লাড সুগারের বাড়িয়ে দিতে পারে।

- ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ রাখতে কম চিনিযুক্ত খাবার খান।
- সকালে যদি হালকা খাবার খান তবে দুপুরে একটু ভারী খাবার খেতে পারবেন। বিকালে বা সন্ধ্যায় আবার হালকা নাশতা করতে পারেন। তবে রাতের বেলায় অবশ্যই কম খেতে হবে।
- রাতের খাবার পর আর একটি বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। তাহলো, রাতের খাবার খেয়েই সঙ্গে সঙ্গে ঘুমাতে যাবেন না। খাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা পর ঘুমাতে যাবেন।
- ডায়রিয়া, আমাশয় প্রতিরোধে বিশুদ্ধ পানি পান করুন। ঈদের সময় পানীয় হিসাবে কোমল পানীয় পান না করে ডাবের পানি কিংবা লেবুর শরবত খাওয়া ভালো হবে। খাওয়ার পরে টক দই খেলে হজম ভালো হবে। বোরহানিও হজমে সহায়ক।
- উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা লবণযুক্ত, চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
- ব্যায়াম চালিয়ে যান আগের মতোই।
Picture : experiencesofagastronomad.com



0 Yorumlar